এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি শেষে মঙ্গলবার (৩ জুলাই) বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি ড.কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রুনা নাহরিন ও একেএম আমিন উদ্দিন। এছাড়াও দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট একেএম ফারহান।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ২০০৮ সালের ৯ নভেম্বর সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফার স্ত্রীর সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে দুদক। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ৩ ডিসেম্বর তিনি দুদকের সচিব বরাবর সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন নুরুন নাহার।
কিন্তু দুদক ওই সম্পদ বিবরণীতে নুরুন নাহারের স্থাবর সম্পদ, বিভিন্ন ব্যাংক, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, গাড়ির ক্রয় মূল্য, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র, ব্যবসার পুঁজি, হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ নিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেওয়ার অভিযোগ করে। একইসঙ্গে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৭ হাজার ৯০০ টাকার টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করা ও দখলে রাখার অভিযোগ এনে তার বিরদ্ধে মামলা করে দুদক। ২০০৯ সালের ৯ এপ্রিল রামনা থানায় মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুর রেজা।
মামলাটি বাতিল চেয়ে ২০১১ সালের ২০ জানুয়ারি হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। সে আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে চলমান এ মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন এবং মামলাটি বাতিলে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
সেই রুলের ওপর মঙ্গলবার (৩ জুলাই) শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন খারিজ করে দেন।