নিজেদের অনুসন্ধান বা তদন্ত বিশ্বমানে পৌঁছানো তাগিদ অনুভব করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুর্নীতিপরায়ণদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হলে অভিযোগের সঠিক অনুসন্ধান ও তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের মানদণ্ড কমিশনকে বিশ্বমানে পৌঁছাতে হবে।’
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাদের পাশাপাশি তদারক কর্মকর্তারাও তাদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা সর্বোপরি কর্মস্পৃহা দিয়ে সঠিকভাবে মামলার তদারকি সম্পন্ন করবেন। তাহলে তদন্তের গুণগতমানের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই। তদারক কর্মকর্তাদের দায়িত্ব শুধু অধীন কর্মকর্তাকে নিয়ন্ত্রণ নয়, তাদের মূল দায়িত্ব অধীন কর্মকর্তাদের দৈনন্দিন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদ্যমান বিধানের আলোকে পরামর্শ দিয়ে অনুসন্ধান বা তদন্তের গুণগত মানের ইতিবাচক পরিবর্তন সাধন করা।’
কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘কমিশনের প্রতিটি কার্যক্রম এমনভাবে ডিজিটালাইজড করতে হবে, যেন কমিশন প্রতিটি অনুসন্ধান বা তদন্তের সময়সীমাসহ সব কার্যক্রম প্রতিটি স্তরে ডিজিটালি মনিটরিং করতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘কার্যপদ্ধতি ও কাজের গুণগত মান উন্নয়নের জন্যই কমিশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।’
দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, ‘দায়সারা গোছের অনুসন্ধান বা তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করলে কাঙ্ক্ষিত ফল যেমন পাওয়া যাবে না, তেমনি মানুষের আস্থাও হারাবে দুদক।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদকের সাবেক কমিশনার আবুল হাসান মনযুর মান্নান, দুদক সচিব ড. মো. শামসুল আরেফিন, মহাপরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ মুনীর চৌধুরী, মহাপরিচালক (তদন্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মহাপরিচালক( লিগ্যাল) মো. মঈদুল ইসলাম, মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) মোহাম্মদ জয়নুল বারী, এডিবির প্রতিনিধি ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।