আদালতে মাহমুদুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ১ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল আয়োজিত ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি করে মানহানিকর বক্তব্য দেন মাহমুদুর রহমান। ওই বক্তব্যে তিনি বঙ্গবন্ধুর পরিবার সম্পর্কে মিথ্যাচার, কটূক্তি ও স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে বাংলাদেশকে ভারতের কলোনি বলে মন্তব্য করেন। এ ঘটনায় গত ১০ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে মামলা করেন জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হক কিরণ। পুলিশ অভিযোগ তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।
আদালত অপরাধ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন। তবে, গত ২৬ জুলাই মামলার ধার্য তারিখে মাহমুদুর রহমান হাজির না হওয়ায় সুনামগঞ্জের বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক দেলোয়ার হোসেন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। সে মামলায় জামিন চাইলে হাইকোর্ট তা মঞ্জুর করেন।