মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, ‘শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের দাবি মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়ার পর পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক হচ্ছিল, শিশু শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসে ফিরে যাচ্ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে কারা এই শিশু শিক্ষার্থী এবং সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ করলো? তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
কাজী রিয়াজুল হক বলেন,‘আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ কমিশন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানিয়েছেন, ডিবি হেফাজতে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে রক্তাক্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কমিশনের বক্তব্য হচ্ছে, পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন অনভিপ্রেত। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় সংবিধান, প্রচলিত আইন ও উচ্চ-আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হয়। শহিদুল আলমের ক্ষেত্রে উল্লিখিত নির্দেশনা অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার জন্য এরইমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে লিখিত সুপারিশ করা হয়েছে।’