এর আগে গত মঙ্গলবার লাইসেন্স দেখাতে না পারায় ১৪টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের অভিযান চলছে। এখনও শেষ হয়নি। চারটি হাসপাতাল বন্ধ রয়েছে। নবাব সিরাজ উদ-দৌলা মানসিক ও মাদকাসক্ত হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’
অভিযুক্ত হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো হচ্ছে: বিডিএম হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সেবিকা জেনারেল হাসপাতাল, জনসেবা নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লাইফ কেয়ার নার্সিং হোম, রয়্যাল মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটাল, নবাব সিরাজ উদ-দৌলা মানসিক ও মাদকাসক্ত হাসপাতাল, মনমিতা মানসিক হাসপাতাল, প্লাজমা মেডিকেল সার্ভিস অ্যান্ড ক্লিনিক, শেফা হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইসলামিয়া মানসিক হাসপাতাল, ক্রিসেন্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, মক্কা মদিনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, নিউ ওয়েল কেয়ার হাসপাতাল ও বাংলাদেশ ট্রমা স্পেশালাইজড হাসপাতাল।