জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘গণতন্ত্রকে সরকার নির্বাসনে পাঠিয়েছে। সেখান থেকে আমরা গণতন্ত্রকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন ঘটনায় ভৌতিক মামলা হচ্ছে।’
আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘যে দেশের প্রধান বিচারপতি রিফিউজি হয়ে গেছেন, সে দেশে কিসের বিচার, কিসের মানবাধিকার? মানবাধিকার তো সভ্য মানুষের জন্য।’ তিনি বলেন, ‘আমাকে যদি কেউ পেটাতো, আমি বিচারপতি হলে তখন পদত্যাগ করতাম।’
এর আগে অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সমিতির সহ-সভাপতি গোলাম রহমান ভুঁইয়া। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে আইনের শাসন ঠিক কী পর্যায়ে আছে, সে বিষয়টি অনুমানের জন্য গণতন্ত্রের অবস্থা নিয়ে ভাবতে হবে। একজন ব্যক্তির নিরাপত্তা এদেশে একেবারেই শূন্যের কোটায়। এটি এমন এক দেশ, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ নাগরিকদের প্রতিপক্ষ মনে করে। বর্তমান পরিস্তিতিরই যদি এ হাল হয়, তবে সহজেই অনুমেয় ভবিষ্যতে কী হতে পারে? স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর এতটা পথ পেরিয়ে এসে শেষাবধি যদি জাতিকে আবার পেছন দিকে দৌড়াতে হয়, তাহলে কি গণতন্ত্রের অপমৃত্যু ঘটবে না?’
ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি জুলফিকার আলী জুনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি মীর হাসমত আলী, সমিতির সহ-সভাপতি গোলাম রহমান ভুঁইয়া, গোলাম মোস্তফা, তৈমূর আলম খন্দকার, সাইফুর রহমান, ইউনুস আলী আকন্দ প্রমুখ।