আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মাহমুদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
দুর্ঘটনার দিন গত ৩ এপ্রিল রাজিবের পক্ষ থেকে রাজধানী শাহবাগ থানায় সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টিতে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর ২৩ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পেনাল কোডের ৩০৪ (খ) ধারায় মামলাটি বেফরোয়া যান চলালের কারণে মৃত্যুর ধারায় সংযোজন করার অনুমতি চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকায় গত ৩ এপ্রিল বিআরটিসির একটি দোতলা বাসের পেছনের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন রাজীব। তার ডান হাতটি বাসের গেইটের বাইরে বেরিয়ে ছিল। এসময় স্বজন পরিবহনের একটি বাস বিআরটিসির বাসটিকে ওভারটেকের চেষ্টা করে। তখন দুই বাসের চাপায় রাজীবের একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ১৭ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজীব।