রবিবার (২৮ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্টে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় অর্থের উৎসের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন এবং এর সঙ্গে নতুন সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি চেয়ে একটি আবেদন করে তার ওপর আদেশ চান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। কিন্তু আদালত জানায়, এ মামলায় যুক্তি উপস্থাপন শেষে ওই আবেদনটির ওপর আদেশ দেওয়া হবে। তবে এরপরও প্রতিবেদনটির বিষয়ে আদেশ চান। তখন আদালত আবেদনটি ‘কিপ টু দ্য রেকর্ড (নথিভুক্তি)’ রাখার আদেশ দেন।
গত ২৩ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আপিল শুনানির আগে ট্রাস্টের অর্থের উৎসের বিষয়ে দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর আদালতের কাছে আদেশ প্রার্থনা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। কিন্তু আদালত আদেশ না দেওয়ায় এ বিষয়ে আপিল বিভাগে যাওয়ার হবে বলে আদালতকে জানানো হয়। সে কারণে মামলাটির মূল আপিল শুনানি একদিনের জন্য মুলতবি করতে আদালতের কাছে আরজি জানানো হয়। কিন্তু আদালত মামলাটির আপিল শুনানি মুলতবি না করায় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালত বর্জন করে মামলার শুনানি না করেই বেরিয়ে আসেন।
এদিকে মামলা সংক্রান্ত অর্থের উৎস সম্পর্কে খালেদা জিয়ার পক্ষে দাখিল করা আবেদনের ওপর শুনানি না নিয়ে তা শুধু নথিভুক্ত রাখায় সে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে যান তার আইনজীবীরা। কিন্তু সে আবেদনটির বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী ২৮ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করেন চেম্বার আদালত।