সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, গালফ এয়ারের যাত্রী বাবুল সুত্রধর বিমানবন্দরে আসার পর গালফ এয়ারের ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট রাশেদ মিয়া তাকে অনুরোধ করেন একটি ছোট প্যাকেট বাহরাইনে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। এতে তিনি রাজিও হয়ে যান। কিন্তু মনে তার ক্ষীণ সন্দেহ হওয়ায় তিনি বিষয়টি কর্তব্যরত পুলিশকে জানান। পরে ওই প্যাকেট খুলে ১২০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এরপর গ্রেফতার করা হয় রাশেদ মিয়াকে।
বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এএপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াতের সময় পরিচিত বা অল্প পরিচিত বা অপরিচিত মানুষের দেওয়া কোনও কিছু বহন করা কখনোই উচিত নয়। যদি একান্তই করতে হয় তাহলে নিজে খুলে-দেখে পুনরায় প্যাকেট করতে হবে। না হলে অজান্তেই বিপদে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।’