আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ। তিনি বলেন, ‘১৯৯৮ সালে ডেমরা থানায় দায়ের হওয়া হযরত আলী হত্যা মামলা ২১ বছরেও নিষ্পত্তি না হওয়ায় গত ২৯ এপ্রিল বিচারককে তলব করেছিলে হাইকোর্ট। আজ ওই মামলার বিচারক ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হাজির হয়ে হাইকোর্টকে জানান, একবছর ধরে মামলাটির দায়িত্ব তিনি। তবে বারবার সমন দেওয়ার পরেও সাক্ষীরা হাজির হচ্ছেন না। এরপর পুলিশ কর্মকর্তা, ডাক্তারসহ যে সব সাক্ষী সমন ও ওয়ারেন্ট জারির পরেও সাক্ষ্য দিতে হাজির হবেন না, তাদের বেতন আটকে দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।’
প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালের ডেমরা থানায় দায়ের করা হযরত আলী হত্যা মামলার আসামি হেমায়েত ওরফে কাজল ওরফে কানন জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন।
জামিন শুনানির সময় বিগত ২১ বছরেও মামলার বিচারকাজ শেষ না হওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। পরে এ বিষয়ে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে সংশ্লিষ্ট বিচারককে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বুধবার (৮ মে) ওই বিচারককে মামলার যাবতীয় নথিসহ হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।