এরআগে, সরকারের ২ কোটি ৬০ লাখ ৫৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মো. মকসুদ খানের বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে ২০১৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চার বছরে ২০ লাখ ৮৬ হাজার ৭৬২ কানাডীয় ডলার পাসপোর্ট ফি বাবদ আদায় করে ১৬ লাখ ৭৪ হাজার ৩৮০ ডলার সরকারি খাতে জমা দেন মকসুদ খান। বাকি চার লাখ ১২ হাজার ৩৮২ ডলার তিনি আত্মসাৎ করেন। এছাড়া, একই ব্যাংক ড্রাফট একাধিকবার ব্যবহার করে দেড় হাজার কানাডীয় ডলার ও জনৈক খালিদ হাসানের পাসপোর্ট ফি বাবদ পাওয়া ৩২০ ডলার সরকারি হিসাবে জমা না দিয়ে তিনি ব্যক্তিগত হিসাব নম্বরে জমা করেন।
মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মনজুর আলমকে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর মকসুদ খানকে বরখাস্ত করা হয়।