জিকে শামীমের ৭ দেহরক্ষী হলেন—দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার আদালতে আসামিদের হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা (পরিদর্শক) ফজলুল হক।
আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে আসামিদের মামলার ঘটনা সংক্রান্তে সুনিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা মামলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মামলার তদন্তকাজে যথেষ্ট সহায়ক হবে। তাদের দেওয়া তথ্য ও নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।
এ সময় আসামিদের জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবী আবদুর রহমান হাওলাদার ও শওকত ওসমান।
এদিকে, বৃহস্পতিবার এই ৭ আসামির বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী ।
এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় এই ৭ আসামির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিকেতনের ১১৩ নম্বর বাসা থেকে যুবলীগ নেতা জিকে শামীম ও তার ৭ দেহরক্ষীকে আটক করে র্যাব। এরপর নিকেতনে তার জি কে বিল্ডার্স অফিসে (১৪৪ নম্বর) অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজ ও নগদ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা জব্দ করা হয়। এছাড়া তার জিম্মা থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, দেহরক্ষীদের ৭টি শটগান-গুলি ও কয়েক বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।