সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নুরুন নাহার বলেন, ‘আমি পল্লবীর ৫ নম্বর পলাশনগরের স্থায়ী বাসিন্দা। সেখানে আমার ২০ কাঠা জমি রয়েছে; যার মহানগর খতিয়ান নম্বর ১৬৫১ ও দাগ নম্বর ১৫৬৪২। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক ও তার চাচা হারুন আর রশিদ মিলে জাল দলিল করে আমার ৯ কাঠা জমি দখল করে নিয়েছেন।’
এই নারী বলেন, ‘দখলের পর তারা এই জমি বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। এর মধ্যে স্থানীয় শাপলা সমিতির কাছে ৮০ লাখ টাকায় পাঁচ কাঠা, আকলিমা বেগমের কাছে ৪০ লাখ টাকায় দুই কাঠা ও মুফতি মাওলানা শেখ রেজাউল করিমের কাছে ৪০ লাখ টাকায় দুই কাঠা জমি বিক্রি করেছেন। এ নিয়ে আমি মামলা করলে আদালত আমার পক্ষে রায় দিয়েছেন।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘আদালতের রায় পক্ষে থাকার পরও ৯ কাঠা জমি না ছেড়ে উল্টো বাকি জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও সন্ত্রাস লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি ।’
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে কাউন্সিলর জহিরুল ইসলাম মানিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওই জমি ২০১০ সালে আমি ক্রয় করেছি, কিন্তু এই নারী তখন কোনও অভিযোগ করলেন না। হঠাৎ করে ২০১৮ সালে এসে তিনি জমির দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে গত ১৬ অক্টোবর থানায় বসা হয়। ওসি সাহেব সব কাগজপত্র দেখে বলেন এ এই জমি আমার। তার কাগজপত্র সঠিক নয়। তিনি আদালতের যে রায়ের কথা বলছেন, তা একেবারেই ভুয়া। রায়ের কোনও কপিও তিনি দেখাতে পারেননি। প্রতিপক্ষের উসকানিতে তিনি এসব করছেন।’