এর আগে, আসামি সুরভী স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিতে সম্মত হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ পরিদর্শক রবিউল আলম তা গ্রহণের আবেদন করে আদালতে তাকে হাজির করেন। এরপর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক জবানবন্দি গ্রহণ শেষে সুরভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।
এর আগে ৫ নভেম্বর বাড়ির ম্যানেজার গাউসুল আজম প্রিন্সসহ পাঁচ জনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
রিমান্ডে নেওয়া অপর আসামিরা হলেন বাড়ির ম্যানেজার গাউসুল আজম প্রিন্স, ইলেকট্রিশিয়ান মো. বেলায়েত হোসেন, সিকিউরিটি গার্ড মো. নুরুজ্জামান, বডিগার্ড মো. বাচ্চু।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১ নভেম্বর) বিকালে ধানমন্ডির ২৮ নম্বর সড়কের ২১ নম্বর বাসায় খুন হন গৃহকর্ত্রী আফরোজা বেগম (৬৫) ও তার গৃহকর্মী দিতি (১৭)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকালে ওই বাসায় কাজ করার জন্য সুরভীকে এনেছিলেন আফরোজা বেগমের মেয়ে জামাতা মনির উদ্দিন তারিমের ব্যক্তিগত সহকারী বাচ্চু।
হত্যাকাণ্ডের পর ওই বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। এছাড়া, বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী মো. নুরুজ্জামান, ইলেক্ট্রিশিয়ান বেলায়েত ও মনির উদ্দিন তারিমের ব্যক্তিগত সহকারী বাচ্চুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় পুলিশ।