দুদক জানায়, প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে মাতুয়াইলে অভিযান চালানো হয়। সরেজমিন অভিযানে রাজউক জোন-৬ এর প্রতিনিধিসহ দুদক টিম অভিযোগস্থল পরিদর্শন করে। অভিযানকালে নির্মাণাধীন ভবনের মালিক রাজউক অনুমোদিত নকশা দেখাতে ব্যর্থ হন। ভবন নির্মাণের জন্য মাটি খনন ও সংশ্লিষ্ট কাজ চললেও নির্মাণস্থলে কোনও কারিগরি ব্যক্তি বা ইঞ্জিনিয়ারকে পাওয়া যায়নি। সমন্বিত টিমের সার্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুসারে নির্মাণস্থলের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা সন্তোষজনক নয় মর্মে প্রতীয়মান হয়।
দুদক টিমের সুপারিশে ভবন নির্মাণের জন্য রাজউকের অনুমোদিত নকশা (মঞ্জুরি) দাখিলের নোটিশ প্রদান করে রাজউক কর্তৃপক্ষ। এই অনিয়মে রাজউক কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা তা যাচাই করে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে দুদক টিম।
এদিকে, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুদক। দুদকের দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হেনা আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় ওই টিম অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করে। তথ্য যাচাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত চেয়ে অভিযানকারী টিম কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।
এছাড়া, গাজীপুরে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি খাসজমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এলজিএসপির অতিরিক্ত বরাদ্দ করা অর্থ কোনও কাজ না করে আত্মসাৎ এবং রাস্তা নির্মাণের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগে সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-২ ও কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয় আরও ৩টি পৃথক অভিযান চালায়।