অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা ৫৫ মিনিটে দুবাই থেকে ঢাকায় আসে এমিরেটসের একটি ফ্লাইট। বিমানবন্দরের ৭ নং বোর্ড-ইন ব্রিজে এয়ারক্রাফট থেকে যাত্রী নামানোর সময় জনাথন মুক্তি বারিকদার ওই বিমানে ওঠে। পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হলে নেমে আসার সময় এয়ারক্রাফট নিরাপত্তায় থাকা আর্মড পুলিশের সদস্যরা তল্লাশি করতে চাইলে জনাথন বাধা দেয়। এরপর বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অফিসে এনে তাকে তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার দুই জুতার শুকতলা থেকে ১৬ পিস করে ৩২ পিস সোনার বার পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে জনাথন জানায়, মামুন নামের আরেক সহকর্মী তাকে ফ্লাইটের মধ্যেই এই সোনার বার হস্তান্তর করে। পরবর্তী সময়ে সে ফ্লাইটের টয়লেটে গিয়ে তার জুতোর শুকতলায় লুকিয়ে রাখে। এই সোনার বার তার ডিউটি ইনচার্জ আতিককে হস্তান্তর করার কথা ছিল। বিনিময়ে ২০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা ছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়।
আটক জনাথনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের চোরাচালানবিরোধী ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।