পুলিশ সদর দফতরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত সভায় মুজিববর্ষ উদযাপন, একুশে ফেব্রুয়ারির নিরাপত্তা, নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ করে ধর্ষণ মামলা, ওয়ারেন্ট তামিল, মামলা ও জিডি রুজু, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, চাকরি ও পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন, মাদক এবং পুলিশের প্রতি জনআস্থার বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে। এ সভায় পুলিশ সদর দফতরের এআইজি থেকে তার ওপর কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পুলিশিং ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানান। দ্বিতীয় পর্বে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরেন। আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সব রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটনের কমিশনার ও জেলার পুলিশ সুপাররা অংশ নেন।
সভায় উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, ‘‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’নীতিতে কাজ করছি। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। এ যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতে হবে।’’ নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ করে ধর্ষণের মামলা অধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের জন্য সকল পুলিশ সুপারকে নির্দেশনা দেন তিনি।
এছাড়া, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, চাকরি ও পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে শেষ করে দ্রুত সঠিক রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে আইজিপি বলেন, ‘এক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।’
সভায় রাজশাহীর সারদা পুলিশ অ্যাকাডেমির প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, র্যাবের মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত আইজি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত আইজি আবদুস সালাম, ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম, এসবি প্রধান অতিরিক্ত আইজি মীর শহীদুল ইসলাম, সিআইডির অতিরিক্ত আইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, টিঅ্যান্ডআইএমের অতিরিক্ত আইজি মো. ইকবাল বাহার, এপিবিএনের অতিরিক্ত আইজি মোশারফ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (এফঅ্যান্ডডি) মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশী, পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, এসবির অতিরিক্ত আইজি মাহবুব হোসেন ও পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।