রায় ঘোষণার সময় আসামি নাছিম আদালতে উপস্থিত ছিলো। বাকি ৮ জন পলাতক।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কামাল পাশা ওরফে দীপু ডিশ ব্যবসা করতেন। ডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে আসামিদের দ্বন্দ্ব হয়। এছাড়া, দীপু মিরপুরের সন্ত্রাসবিরোধী সংগঠনের সদস্য ছিলেন। আসামিরা এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য সৃষ্টি করায় তাদের এলাকা থেকে ছাড়তে বাধ্য করেন দীপু। এরই জের ধরে তাকে ১৯৯৬ সালের ১৩ জানুয়ারি মিরপুরের মাজার রোডে চাকু মেরে হত্যা করে আসামিরা। এ ঘটনায় দীপুর বাবা বাদী হয়ে মিরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই বছরেই ১০ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ নাছিরউদ্দিন। এরপর ২০০৫ সালের ১৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।