বাণিজ্যিকীকরণ প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকে বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের সরকারি ইমেইলে এ নোটিশ পাঠানো হয়।
রবিবার (৩ মে) মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. হুমায়ুন কবির পল্লব এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বলা হয়, সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে করোনা টেস্টের অনুমতি দিয়েছে। যেখানে সরকার টেস্টের জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সাধারণ মানুষকে করোনা পরীক্ষায় উদ্বুদ্ধকরণের পরিবর্তে তাদেরকে নিরুৎসাহিত করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, করোনা সংক্রমণ একটি জাতীয় সমস্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে যত বেশি টেস্ট করা সম্ভব হবে অল্প সময়ে তত তাড়াতাড়ি এবং সঠিকভাবে এই ভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু একটি টেস্টের দাম যদি নির্ধারণ করা হয় ৩ হাজার ৫০০ টাকা, তাহলের সাধারণ মানুষ টেস্টে আগ্রহী হবে না। এবং টেস্ট নিয়ে এখানে একটি বাণিজ্যিকীকরণ অবস্থার সৃষ্টি হবে। এছাড়া এটি একটি বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ। কারণ কিছু মানুষ বিনামূল্যে টেস্ট করতে পারবে আর কিছু মানুষকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় টেস্ট করাতে হবে এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলো এই বিষয়টি নিয়ে একটি ব্যাপক বাণিজ্য করার সুযোগ পাবে, যেটা সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অপ্রত্যাশিত।
তাই নোটিশে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ জনগণের জন্য বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।