দক্ষিণখানে ব্যবসায়ী হত্যার 'মূল পরিকল্পনাকারী' গ্রেফতার

লাশ গুম করতে রিকশায় নিয়ে বের হয়েছে রুপম (সিসিটিভি ফুটেজ)রাজধানীর দক্ষিণখানে ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দীনকে হত্যার পর তিন টুকরো করে লাশ গুমের চেষ্টার ঘটনায় আসামি চার্লস রুপমকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। রবিবার (২২ জুন) রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার ওয়ালিদ হোসেন।

গত সপ্তাহে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রুপমের স্ত্রী ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, হেলাল উদ্দীন নগদ ও মোবাইল রিচার্জের ব্যবসা করতেন। তার কাছে সবসময় নগদ টাকা থাকতো। ওই টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই প্রতিবেশী চার্লস রুপম ও তার স্ত্রী শাহিনা বেগম মিলে তাকে খুন করে। ঘটনার দিন রুপম একটি ফটোকপি মেশিন বিক্রির কথা বলে হেলাল উদ্দীনকে বাসায় নেয়। এরপর চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে রাতে লাশ গুম করতে তিন টুকরো করে বস্তায় ভরে তিন জায়গায় ফেলে রাখে তারা।

গত সোমবার দক্ষিণখানের হাজী মুক্তিযোদ্ধা রোডের কাঁচা রাস্তার পাশ থেকে পুলিশ টুকরো টুকরো লাশ উদ্ধার করে। লাশের তিন টুকরো মেলানোর পর লাশটি ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দীনের বলে তার বড় ভাই মো. হোজায়ফা শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে দক্ষিণখান থানায় হত্যা মামলা করা হয়। থানা-পুলিশের পাশাপাশি ডিবির উত্তর বিভাগ মামলার তদন্ত শুরু করে।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতার শাহিনা বেগম ও তার মা রাশিদা বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। হেলালকে হতার পর তার কাছ থেকে ৩৩ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলে তারা স্বীকার করেছে। তবে পরে টাকাগুলো উদ্ধার করেছে ডিবি।

আরও পড়ুন…

৩৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতে স্বামী-স্ত্রী মিলে খুন করে ব্যবসায়ীকে