বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) পল্টন থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল নজরুল সাত দিনের রিমান্ড শেষে পাঁচ আসামিকে আদালতে হাজির করেন। সানাউল ইসলাম সাদি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অপর দুই আসামি শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান ও রুবেল আহমেদের ফের সাত দিনের রিমান্ড এবং আব্দুর রহিম জুয়েল ও সায়েম মির্জাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক দেবদাস চন্দ্র অধিকারী আসামি শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান ও রুবেল আহমেদের ফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আব্দুর রহিম জুয়েল ও সায়েম মির্জাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এরআগে গত ১১ আগস্ট সিলেট থেকে আসামিদের আটক করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। গত ২৪ জুলাই রাতে পল্টনে হঠাৎ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিস্ফোরণস্থল থেকে ২০০ গজ দূরে পল্টন থানা পুলিশের একটি চেকপোস্ট ছিল। ওই ঘটনায় পল্টন থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়।