সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী মা- মেয়ের মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। কোন মানুষকে এভাবে প্রকাশ্যে ঘোরানোর এখতিয়ার কাউকে দেওয়া হয়নি। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না। কোনও অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতের মাধ্যমে বিচার সম্পন্ন হবে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। এতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী মা-মেয়ের পক্ষে মামলা লড়ার জন্য কমিশনের প্যানেল আইনজীবী আ. জ. ম. মাইনুদ্দিনকে নিয়োগ দিয়েছে কমিশন। তিনি তাদের জামিনের ব্যবস্থা করেছেন। এই ঘটনায় অসহায় এই দুই নারীর পাশে থাকবে কমিশন।