ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।
এর আগে টাঙ্গাইল জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ জন শিক্ষক ২০০৯ সালের জাতীয় পে স্কেল অনুসারে ৮, ১২ ও ১৫ চাকরিকাল পূর্তিতে ১ম, ২য় ও ৩য় টাইম-স্কেল প্রাপ্ত হন এবং দীর্ঘদিন ধরে সে সুবিধা ভোগ করেন। এরপরও টাঙ্গাইল জেলার হিসাবরক্ষণ অফিসার টাইম স্কেল বাতিল করে উক্ত টাকা ফেরত প্রদানের জন্য অফিস আদেশ জারি করেন।
এরপর টাঙ্গাইলের জেলা সদর ও মির্জাপুর উপজেলার তাসলিমা জাহান, সালমা খন্দকারসহ প্রায় ৩৬ জন শিক্ষক টাইম স্কেল কর্তন ও ফেরত প্রদানের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুলসহ আদেশ দিলেন।