প্রতারণার মামলায় স্থগিত চাওয়া সাবরিনার আবেদনের বিষয়ে আদেশ ১৩ সেপ্টেম্বর

আদালতে ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকরোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের হওয়া মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। একইসঙ্গে আবেদনটির ওপর আদেশের জন্য আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

সাবরিনার আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে সাবরিনার আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান তুহিন।

এর আগে গত ২৩ জুন জেকেজির সিইও আরিফসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় প্রতারণা ও করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলার তদন্তে জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনার নাম এলে গত ১২ জুলাই তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে তা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জেকেজির জালিয়াতি সামনে আসার পর স্বাস্থ্য অধিদফতর জেকেজির সঙ্গে করা তাদের চুক্তি বাতিল করে। অপরদিকে, ডা. সাবরিনাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। ওই মামলায় গ্রেফতার হয়ে আরিফ এবং ডা. সাবরিনা বর্তমানে কারাগারে আছেন।

এদিকে, মামলাটি স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান ডা. সাবরিনা। সে বিষয়ে সাবরিনার আইনজীবী সাইফুজ্জামান তুহিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যেহেতু এই মামলার মূল ভিত্তিটা বেশ কিছু ডকুমেন্টের ওপর নির্ভর করে আছে। তাই আমরা বিচারিক আদালতে সেসব ডকুমেন্ট চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলাম। প্রসিকিউশনও এসব ডকুমেন্টের ওপর নির্ভর করে মামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা সাবরিনার পক্ষে সেসব ডকুমেন্টের তথ্য চেয়ে আবেদন জানালে বিচারিক আদালত তা খারিজ করে দেন। ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছি। উক্ত আবেদনে মামলার ডকুমেন্ট ও স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।’