রবিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনির আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক মোল্লা আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
এর আগে শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি ফাতেমা খাতুন অসুস্থ হয় বলে জানান। একই সঙ্গে ফাতেমা খাতুনকে আদালতে হাজির করতে হাজতি পরোয়ানা ইস্যুর আবেদন করেন। এরপর বিচারক আবেদন মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি চিকিৎসা শেষে সুস্থতা সাপেক্ষে আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দেন।
এই মামলায় গত ১০ নভেম্বর ১০ আসামির সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তারা হলো- মাইন্ড এইডের মার্কেটিং ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ জয়, কো-অর্ডিনেটর রেদোয়ান সাব্বির, শেফ মাসুদ, ওয়ার্ড বয় জোবায়ের হোসেন, তানিফ মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম চন্দ্র পাল, লিটন আহাম্মদ, সাইফুল ইসলাম পলাশ ও ফার্মাসিস্ট তানভীর হাসান। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাখাওয়াত হোসেন ও সাজ্জাদ আমিন এখনও পলাতক রয়েছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার (৯ নভেম্বর) বেলা ১১টায় আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গিয়ে হাসপাতালটির কর্মচারীদের মারধরের পর নিহত হন এএসপি শিপন। তিনি ৩১তম বিসিএস পুলিশে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। ওই ঘটনায় শিপনের বাবা ফয়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) সকালে মামলা করেন।