এএসপি শিপন হত্যা: দুই কর্মচারীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম শিপনরাজধানীর আদাবরে মানসিক হাসপাতালে মারধরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম শিপন হত্যা মামলায় ওই হাসপাতালের দুই কর্মচারী শেফ মাসুদ ও অসীম চন্দ্র পাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

রবিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনির আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আসামিদের আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক মোল্লা। একই সঙ্গে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন এই কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

এই মামলায় গত ১০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) ১০ আসামির সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তারা হলো- মাইন্ড এইডের মার্কেটিং ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ জয়, কো-অর্ডিনেটর রেদোয়ান সাব্বির, শেফ মাসুদ, ওয়ার্ড বয় জোবায়ের হোসেন, তানিফ মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম চন্দ্র পাল, লিটন আহাম্মদ, সাইফুল ইসলাম পলাশ ও ফার্মাসিস্ট তানভীর হাসান। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাখাওয়াত হোসেন ও সাজ্জাদ আমিন এখনও পলাতক রয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৯ নভেম্বর) বেলা ১১টায় আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গিয়ে হাসপাতালটির কর্মচারীদের মারধরের পর নিহত হন এএসপি শিপন। তিনি ৩১তম বিসিএস পুলিশে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। ওই ঘটনায় শিপনের বাবা ফয়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) সকালে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:

মানসিক হাসপাতালে মারধরে এএসপির মৃত্যুর অভিযোগ

এএসপি শিপন হত্যা: মাইন্ড এইডের পরিচালক রিমান্ডে