ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু ও সহযোগিতা করেন র্যাব-২ এর আগারগাঁও কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র অল্প সময়ে পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখানোসহ বিভিন্ন কৌশলে জনসাধারণের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছে। পাসপোর্ট তৈরি করে না দিয়ে প্রতারণা করে আসছে তারা। পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া, ভুয়া সিল ও সত্যায়ন, জাল ব্যাংক ভাউচার প্রদান, ভুয়া চিঠিপত্র তৈরি করা, ভুয়া পাসপোর্ট দিয়ে জনসাধারণকে হয়রানি করে আসছিল তারা।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে দালাল চক্রের এই ৯ সক্রিয় সদস্যকে জরিমানা ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
তাছাড়া ভিকটিম ফাতেমা আক্তার (২৭) এর অভিযোগের ভিত্তিতে দালাল শেখ আকরামুজ্জামানের কাছ থেকে ঘটনাস্থল থেকে পাসপোর্ট তৈরির জন্য দেওয়া ১৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।