আদালতে কাজলের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সরোয়ার হোসেন বাপ্পী।
এদিকে জামিন আবেদনের শুনানি শেষে ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে রাজধানী হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানায় দায়ের হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন দেন হাইকোর্ট। এর ফলে সাংবাদিক কাজলের কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
এর আগে ২৪ নভেম্বর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা মামলায় ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে হাইকোর্ট জামিন দেন।
গত ৯ মার্চ রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় কাজলসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রথম মামলাটি করেন মাগুরা-১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শেখর।
এরপর ১০ ও ১১ মার্চ রাজধানী হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরও দুটি মামলা হয়।
গত ১১ মার্চ সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় মামলাটি করেন যুব মহিলা লীগের নেত্রী ইয়াসমিন আরা ওরফে বেলী। পরে ১৮ মার্চ রাতে কাজলকে অপহরণ করা হয়েছে অভিযোগ এনে চকবাজার থানায় মামলা করেন তার ছেলে মনোরম পলক।
প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে নিখোঁজের ৫৩ দিন পর গত ২ মে রাতে যশোরের বেনাপোলের ভারতীয় সীমান্ত সাদিপুর থেকে অনুপ্রবেশের দায়ে ফটো সাংবাদিক ও দৈনিক পক্ষকালের সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজলকে আটক করে বিজিবি। পরদিন (৩ মে) অনুপ্রবেশের দায়ে বিজিবির দায়ের করা মামলায় আদালতে সাংবাদিক কাজলের জামিন মঞ্জুর হলেও পরে কোতোয়ালি মডেল থানায় ৫৪ ধারায় অপর একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। সেই থেকে সাংবাদিক কাজল কারাগারে আছেন।