গ্রেফতারকৃতদের কয়েকজন হলেন জাকির হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, বাদল খান, মালেক ফরাজী, জসিম উদ্দিন ও শিহাব। গ্রেফতারকালে তাদের কাছে থেকে আসল ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা, ২০ লাখ জাল ভারতীয় রুপি এবং ৩২ লাখ বাংলাদেশি জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (গুলশান) উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘গুলশান বিভাগের গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিমের এসি মহিউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রকে অনুসরণ করে আসছিল। চক্রের বিভিন্ন সদস্য বাংলাদেশের বাগেরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে জাল টাকা তৈরি করতো।’
‘আসন্ন থার্টিফার্স্ট উপলক্ষে জাল রুপি এবং টাকার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা মহানগরীর জুরাইন এলাকার শহীদ শাহাদত হোসেন রোডের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে এ কাজ করা হচ্ছিল। গ্রেফতার সবার বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ডজন খানেক মামলা রয়েছে’—বলেন মশিউর রহমান।
তিনি আরও জানান, বরিশালসহ দক্ষিণ অঞ্চলে জাল নোট সরবরাহকারীদের মূলহোতা জামাল। এদের আছে এক শক্ত নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জায়গার খোলা বাজার, বিপণি বিতান, যানবাহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের কাছে ধোঁকা দিয়ে জাল টাকা বিক্রি করা হয়।
তাদের কারখানা থেকে জাল টাকা এবং রুপি তৈরি করার মতো বিপুল পরিমাণ বিশেষ ধরনের কাগজ, নিরাপত্তা সুতা, বিভিন্ন ধরনের রঙ, কেমিক্যাল জব্দ করা হয়েছে। যা দিয়ে কয়েক কোটি জাল টাকা তৈরি করা যাবে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দেওয়া হচ্ছে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ড চাওয়া হবে।