এই সময় অভিযুক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহানের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানানো হয়। যারা এই অন্যায়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল অনতিবিলম্বে তাদেরও সাজা নিশ্চিতের দাবি তোলা হয়। এছাড়া ধর্ষকের পক্ষে যারা যুক্তি দিচ্ছে এবং মেয়েটির পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে তাদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। কর্মসূচিতে মাস্টারমাইন্ড, ম্যাপেল লিফ, স্কলাস্টিকাসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশ নেন।
বয়স নিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে সেই বিষয়ে সহপাঠী মাস্টারমাইন্ড স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী নেহা জামান জানান, পাসপোর্টসহ সব জায়গায় মেয়েটির বয়স ১৭ বছর উল্লেখ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ১৯ বছর নির্ধারণ করা অনৈতিক। এছাড়া দিহানের বয়স ২১ হলেও মামলার কার্যক্রমে তার বয়স কম দেখানো হয়েছে। এতে করে তার ছাড় পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দিহানের পরিবারের সদস্যদের পরিচয় জনসমক্ষে কেনও প্রকাশ করা হচ্ছে না। তাদের পরিবারের কর্মকাণ্ড ও পরিচয় তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান সহপাঠীরা।
এই সময় অভিভাবকরা বলেন, এ ধরনের ঘটনা অভিভাবকদের জন্য অশনিসংকেত। সন্তানরা কোথায় যায়, কার সঙ্গে চলাফেরা করে, কার সঙ্গে মিশছে সেসব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।