রাজধানীর হাতিরঝিল থানা এলাকায় পৃথক দুটি ডাকাতির ঘটনায় পাঁচ ‘ডাকাত’কে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হাতিরঝিল, রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার এবং টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো—মোরশেদ ওরফে হাড্ডি মোরশেদ, জাহিদ শেখ, আরমান হোসেন, কবির হোসেন মনা ও রাসেল। তাদের কাছ থেকে লুট করে নেওয়া একটি বিদেশি পিস্তল, ৫০ রাউন্ড গুলি, স্বর্ণালংকার ও স্বর্ণালংকার বিক্রির ১৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। এ সময় গোয়েন্দা পুলিশের (তেজগাঁও বিভাগ) উপ কমিশনার গোলাম মোস্তফা রাসেল, মানস কুমার পোদ্দার, অতিরিক্ত উপ কমিশনার শাহাদত হোসেন সুমাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘শুক্রবার গ্রেফতার হওয়ারা পেশাদার ডাকাত চক্রের সদস্য। তারা একাধিক মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে ছিল। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হবে।’
উল্লেখ্য, গত বছরের ১০ অক্টোবর মগবজার ওয়্যারলেস গেট এলাকার বিশাল সেন্টারের পেছনের একটি বাসা থেকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও ৮৮ ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৪৭ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাত দলের সদস্যরা। এর প্রায় দুই মাসের মাথায় ডাকাত দলের এই সদস্যরা রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন হাজিপাড়ার একটি বাসা থেকে একটি লাইসেন্সকৃত পিস্তল, ৫৯ রাউন্ড গুলি, নগদ টাকা, বিদেশি মুদ্রা, ৫৯ ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
উপ-কমিশনার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতরা সংঘবদ্ধ হয়ে একাধিক ডাকাতি করেছে। তাদের কাছ থেকে আরও তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’
অতিরিক্ত উপ কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা বলেন, ‘এই ডাকাত চক্রের নেতা হলো হাড্ডি মোরশেদ। জেলে বসে এদের পরস্পরের মধ্যে পরিচয় হয়। জেল থেকে বেরিয়ে এসে ডাকাতি করতো তারা।’