রাজধানীর হাতিরঝিল থানা এলাকায় পৃথক দুটি ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া পাঁচ ‘ডাকাত’ এর প্রত্যেকের তিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলামের আদালতে এই আদেশ দেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধরণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। রিমান্ড প্রাপ্তরা হলো, মোরশেদ ওরফে হাড্ডি মোরশেদ, জাহিদ শেখ, আরমান হোসেন, কবির হোসেন মনা ও রাসেল।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচ আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হাতিরঝিল, রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৫০ রাউন্ড গুলি, স্বর্ণালংকার ও স্বর্ণালংকার বিক্রির ১৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। আমরা এর আগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অর্ধ শতকেরও বেশি চোর-ডাকাতকে গ্রেফতার করেছি। গ্রেফতার হওয়ারা পেশাদার ডাকাত চক্রের সদস্য। তারা একাধিক মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে ছিল।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১০ অক্টোবর মগবজার ওয়্যারলেস গেট এলাকার একটি বাসা থেকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও ৮৮ ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৪৭ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাত দলের সদস্যরা। এর প্রায় দুই মাসের মাথায় ডাকাত দলের এই সদস্যরা রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন হাজিপাড়ার একটি বাসা থেকে একটি লাইসেন্সকৃত পিস্তল, ৫৯ রাউন্ড গুলি, নগদ টাকা, বিদেশি মুদ্রা, ৫৯ ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা বলেন, ‘এই ডাকাত চক্রের নেতা হলো হাড্ডি মোরশেদ। জেলে বসে এদের পরস্পরের মধ্যে পরিচয় হয়। জেল থেকে বেরিয়ে এসে ডাকাতি করতো তারা।’