বিয়ের আগে জন্ম ও শিক্ষা সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ

বিয়ে পড়ানোর আগে জন্ম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদ যাচাই-বাছাই করতে সারা দেশের কাজিদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহ ইমরান আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি  অ্যাটর্নি জেনারেল সরোয়ার হোসেন বাপ্পী।

একইসঙ্গে ফেনীর সোনাগাজীর এক কিশোরীকে বিয়ে নিবন্ধন করায় ফেনী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার ও কাজী সিরাজুল ইসলাম মজুমদারকে তলবাদেশে হাজির হয়ে হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ওই কিশোরির বিয়ে সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও রেজিস্ট্রার ভলিয়ামসহ তিনি আদালতে হাজির হন। পরে আদালত জেলা নিকাহ রেজিস্টারকে এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলেন নির্দেশ দেন।

জানা যায়, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার আলমপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম একই উপজেলার বগদানা গ্রামের  আব্দুল মান্নানের কিশোরী মেয়ে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। এ ঘটনায় মেয়ের বাবা জাহিদুল ইসলামকে আসামি করে ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর সোনাগাজী মডেল থানায় অপহরণ মামলায় অপহরণ মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়। এই মামলায় জাহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। মামলাটি এখন ফেনীর চিফ জুডিসিয়াল আদালতে বিচারাধীন।

কাজীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি কাবিন নামায় কিশোরীর বয়স বেশি  দেখিয়েছেন। নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন আসামি। জামিন শুনানিকালে কিশোরীর মেয়ে বিয়ে পড়ানোর বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন দিতে রুল জারি করেন। একইসঙ্গে ফেনী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার ও কাজী সিরাজুল ইসলাম মজুমদারকে তলব করেছিলেন আদালত।