আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, স্কুলে-কলেজে গিয়ে মেয়েদেরকে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে তারা পুলিশে যোগ দিতে আগ্রহী হয়। বাংলাদেশ পুলিশে আরও বেশি নারী পুলিশ নেওয়ার মাধ্যমে পুলিশের নারীবান্ধব সেবা প্রদানের সক্ষমতা বাড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের (বিপিডব্লিউএন) এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সোমবার (২২ মার্চ) সকালে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ অডিটোরিয়ামে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন)।
আইজিপি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আগে যাদের জন্ম হয়েছে তারা জানবে না, একসময় দারিদ্র ও ক্ষুধা ছিল এ দেশের সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। বিশ্ব মোড়লেরা বলতো এমন দুর্বল অর্থনীতি নিয়ে বাংলাদেশ টিকে থাকতে পারবে না। কিন্তু স্বাধীনতার মাত্র ৫০ বছরের মধ্যে বিশ্ব মোড়লদের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে নিজের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে বাংলাদেশ। গত ৫০ বছরে সারাবিশ্বে মাত্র ৫টি দেশ দারিদ্রতার অভিশাপ থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পেরেছে। তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী উদ্যোগের ফলে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে সর্বপ্রথম ৬ জন নারী পুলিশ সদস্য যোগদান করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশে নারী পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ১৫ হাজারের বেশি। এ সংখ্যা আমাদের মোট পুলিশ জনবলের শতকরা ৭ দশমিক ৫ ভাগ। যা আনুপাতিক হারে জাপান পুলিশের নারী সদস্যদের সমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) ড. মো. মঈনুর রহমান, , বিপিডব্লিউএন এর সভাপতি ও বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি আমেনা বেগমসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ইউএনডিপি’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মিস. ভ্যান নুয়েন, ইউএন উইমেন এবং বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব শায়লা ফারজানা।