ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার করা আরও সাত জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত
রবিবার (২৮ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিন আসামিকে হাজির করেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাদের প্রত্যেকের ২ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।
রিমান্ডপ্রাপ্ত তিন জন হলেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন, সাকিল ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইব্রাহিম।
অপরদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে অন্য চার আসামিকে হাজির করে তাদেরও ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে তাদের জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাদের প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।
রিমান্ডপ্রাপ্ত এই চার আসামি হলেন, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদেরর যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল হাসান, সজল, ঢাকা কলেজের ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নজরুল করিম সোহাগ ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক আলামিন।
এর আগে গত ২৬ মার্চ দিবাগত রাতে মতিঝিল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।
উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংক এলাকায় ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের একটি মিছিল শুরু হয়। এতে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের বাধা পেয়ে আন্দোলনকারীরা নুরের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে মতিঝিলের শাপলা চত্বরের দিকে যান। সেখানে পুলিশের সঙ্গে পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধে। বিক্ষোভ মিছিল থেকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় সাত জন পুলিশ সদস্য আহত হন।