রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় হাজী মুসা ম্যানশনে আগুনের ঘটনায় বংশাল থানায় দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে আগামী ১০ জুন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার (২৪ এপ্রিল) মামলার এজাহার আদালতে পৌঁছালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মাহমুদা আক্তার মামলার এজাহারটি গ্রহণ করেন। এরপর তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক হেলাল উদ্দিন (জিআরও) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মামলায় এজাহার নামীয় ৮ জন আসামি রয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাত ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।’
শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাতে অবহেলাজনিত মৃত্যু এবং অবৈধভাবে রাসায়নিক দ্রব্য রাখার দায়ে ভবন মালিক ও গোডাউন মালিকদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৩টা ১৮ মিনিটের দিকে পুরান ঢাকার আরমানিটোলা হাজী মুসা ম্যানশনের কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগে। ভবনের নিচতলায় আগুন লাগলে ধোঁয়ায় ভবনের দুই তলা থেকে ছয় তলার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বারান্দার গ্রিল কেটে সব ফ্লোরের লোকজনকে উদ্ধার করে নিচে নামিয়ে আনেন। শুক্রবার সকাল ৯টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি দল প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এই অগ্নিকাণ্ডে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ২১ জন।