উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই সবুজ রহমান জানান, নিহত রাফির বাবার নাম কামরুজ্জামান। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা সদরের শাকতলা মাস্টার বাড়িতে। পরিবারের সঙ্গে থাকতেন মোহাম্মদপুরের নুরজাহান রোডের বি-১৯ নম্বর বাড়িতে। গত দুমাস আগে রাজধানীর উত্তরার পাঁচ নম্বর সেক্টরের তিন নম্বর রোডের ছয় নম্বর বাড়িতে ফুফা মোস্তাক খানের বাসায় যান। সেখানে থেকে গত দুমাস যাবত স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে কোচিং করছিলেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দাদী রাশিদা বেগম তাকে কোচিংয়ে যেতে বলেন। বাসা থেকে বের হয়ে রাফি ছাদে গিয়ে নিচে লাফিয়ে পড়েন বলে স্বজনরা পুলিশকে জানান। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লুবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সকাল ১০টার দিকে রাফি মারা যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে তারা হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে নিয়ে যান। রাফির লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার কারণ তারা খতিয়ে দেখছেন।
এ ব্যাপারে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্বজনরা কেউ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।
/জেইউ/এমএনএইচ/