রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শুরুতে প্রথমদিনের সাক্ষ্যে তিন সাক্ষীকে হাজিরের কথা বললেও আজ দুই সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছেন। তারা হলেন, রেকর্ডিং অফিসার শাহজালাল ও মামলার বাদী খায়রুল আলম (এসআই)।
এছাড়া মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল (পুলিশ পরিদর্শক), এস এম বদরুল আলম (ডিআইজি অফিসার ঢাকা জেলা) সাক্ষ্য দিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। আদালত দুই সাক্ষীর পর পরবর্তী শুনানির জন্য ৭ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করে দেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ এসএম কুদ্দুস জামান। এর আগে ১৬ জুন পলাতক আসামি মাহবুবুল মোরশেদ, শহিদুল ইসলাম, মঞ্জু ও রাজ্জাক জামানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।
এ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন এমডি দেলোয়ার হোসেন, চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার মিতা, প্রকৌশলী এম মাহবুবুল মোর্শেদ, ফ্যাক্টরি ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, কোয়ালিটি ম্যানেজার শহিদুজ্জামান দুলাল, প্রোডাকশন ম্যানেজার মোবারক হোসেন মঞ্জু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা দুলাল, স্টোর ইনচার্জ হামিদুল ইসলাম লাভলু, সিকিউরিটি সুপারভাইজার আল আমিন, ইনচার্জ আনিসুর রহমান, সিকিউরিটি গার্ড রানা ওরফে আনারুল, স্টোর ইনচার্জ আল আমীন ও লোডার শামীম মিয়া। এমডি দেলোয়ার ও চেয়ারম্যান তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার জামিনে রয়েছেন। শুনানি চলাকালে চার পলাতক আসামি ছাড়া সবাই উপস্থিত ছিলেন। তবে পলাতকদের পক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের তাজরীন ফ্যাশনসে অগ্নিকাণ্ডে ১১২ জন নিহত হন। আহত ও দগ্ধ হন দুই শতাধিক শ্রমিক। পরদিন আশুলিয়া থানার এস আই খায়রুল ইসলাম অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। এ মামলায় নাশকতার পাশাপাশি অবহেলাজনিত মৃত্যুর ধারা যুক্ত করা হয়।
/টিএ/ইউআই/এনএস/এফএস/