চিত্রনায়িকা পরীমণি পরিস্থিতির শিকার দাবি করে তার নানা শামসুল হক গাজী বলেছেন, ‘নিজের জন্য জীবনে সে (পরীমণি) কিছু করেনি। সারাজীবন মানুষকে দান করেছে। আর এখন পরিস্থিতির শিকার হয়ে আছে। নিজের একটা ফ্ল্যাট করে নাই, কিছু করে নাই। এফডিসিতে প্রত্যেক বছর ঈদে গরু কোরবানি করে গরীব-দুঃখীদের জন্য। নিজের জন্য সে নিজে কিছুই করে নাই সব মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেয়।’
আজ মঙ্গলবার ১২টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে রিমান্ডে থাকা নাতনি চিত্রনায়িকা পরীমণিকে আজ আদালতে হাজির হবে জেনে তাকে দেখতে আদালত প্রাঙ্গণে আসেন শামসুল গাজী। প্রথমে তার সঙ্গে থাকা লোকজন সাংবাদিকদের জানান তিনি কোনও কথা বলবেন না। তাদের একজন দাবি করেন, শামসুল হকের বয়স ১১০ বছর। এই প্রথম তার পরিবারের কোনও সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে আসলেন।
পরে অবশ্য সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পরীমণির যে বাসা থেকে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারের কথা বলা হয়েছে সেই বাসাতেই থাকেন শামসুল গাজীও। উদ্ধারকৃত মাদকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খালি বোতল তো ছিল। কিন্তু সেটা কি মাদকের মতন নাকি বিষের বোতল সেটা তো আমি জানি না।
তিনি পরীমণির মুক্তি দাবি করেন কি না- এমন এক প্রশ্নে তিনি বলেন, আল্লাহ যদি মুক্তি দেয়।
এদিক শুনানি শেষে পরীমণি ও তার সহযোগী দীপুর আরও দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।