ফটোসাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে মামলার চার্জশিট গ্রহণ

ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস-সামছ জগলুল হোসেনের আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে আদালত দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ ৩১ আসামিকে এই মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

অব্যাহতি পাওয়া ৩১ আসামি হলেন- মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, মানবজীবন পত্রিকার রিপোর্টার আল-আমিন, প্রিন্স ফাহিম, আরিফুল ইসলাম আরিফ, ফরহাদ খান, জুয়েল আহমেদ, মোহাম্মাদ মোসলেম, মো. মিজানুর রহমান, মোর্শেদ আলম, কাকন আবু হানিফ, মো. রুবেল, আয়েশা আমান, মো. শামিম আক্তার, মো. সাত্তার মৃধা, মো. তৌফিক, মিলি হাসান, হাবিব আদনান, ঋষি কান্ত, মো. সোহেল হোসেন, ছালেহ আহমেদ, জসিম উদ্দিন জসিম, মো. খাইরুল ইসলাম, হেদায়েতুল ইসলাম, মো. মাহফুজ আহমেদ, এম এ মামুন, মো. হেলাল, সেলিম চৌধুরী, ইস্পাত মোহাম্মাদ, বেলায়েত হোসেন, মারুফ রাজু ও মকটেল হোসেন মুক্তি।

এদিন ফটোসাংবাদিক কাজল একই আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে গত বছরের ২৪ নভেম্বর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এই জামিনের মেয়াদ ছিল। আজ  নিম্ন আদালত থেকে একই মামলায়  তিনি পুনরায় জামিন পেলেন।

গত বছরের ৯ মার্চ কাজলসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শেখর। এরপর ১০ ও ১১ মার্চ রাজধানীর হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানায় ডি‌জিটাল নিরাপত্তা আইনে কাজলের বিরুদ্ধে আরও দু‌টি মামলা হয়।

গত বছরের ১৮ মার্চ রাতে কাজলকে অপহরণ করা হয়েছে অভিযোগ এনে চকবাজার থানায় মামলা করেন তার ছেলে মনোরম পলক। ঢাকা থেকে নিখোঁজের ৫৩ দিন পর গত বছরের ২ মে রাতে বেনাপোলের ভারতীয় সীমান্ত সাদিপুর থেকে অনুপ্রবেশের দায়ে ফ‌টো সাংবাদিক ও দৈনিক পক্ষকালের সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজলকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।