সাংসদ বদির বিরুদ্ধে পরবর্তি সাক্ষ্য গ্রহণ ১০ ফেব্রুয়ারি

আবদুর রহমান বদিআওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির (কক্সবাজার-৪ আসন) বিরুদ্ধে আগামী ১০ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের শেষ দিন ধার্য করেছেন ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দর এর আদালত। 
আজ সকালে আদালতে দুই জন সাক্ষী হাজিরা দেন। সাক্ষীরা হলেন: কক্সবাজার জেলার টেকনাফের এবি ব্যাংকের ম্যানেজার নুরুল হোসেন এবং কক্সবাজার জেলার ঝিলংজা শাখার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের অ্যাসিসট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজার পরিতোষ কুমার । 
আজ সকালে আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণকালে আসামি আব্দুর  রহমান বদি উপস্থিত ছিলেন।
২০১৪ সালের ২১ আগস্ট এমপি বদির বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুস সোবহান মামলা দায়ের করেন।
২০১৫ সালের ৭ মে দুদকের উপপরিচালক মঞ্জিল মোর্শেদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 
২০১৫  সালের ৯ সেপ্টেম্বর বদির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

মামলার এজাহার থকে : বদির বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুস সোবহানের দায়ের করা ওই মামলায় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার বাইরে ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা অবৈধ সম্পদ থাকা, সম্পদ ৩৫১ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার অভিযোগ করা হয়। পাঁচ বছরে তার আয় ৩৬ কোটি ৯৬ লাখ ৯৯ হাজার ৪০ টাকা বৃদ্ধি পায়। হলফনামা অনুসারে তার বার্ষিক আয় ছিল ৭ কোটি ৩৯ লাখ ৩৯ হাজার ৮০৮ টাকা। আর বার্ষিক ব্যয় ছিল ২ কোটি ৮১ লাখ ২৯ হাজার ৯২৮ টাকা। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া হলফনামায় তার বার্ষিক আয় ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ৪৮০ টাকা। ব্যয় ছিল ২ লাখ ১৮ হাজার ৭২৮ টাকা। ওই সময় বিভিন্ন ব্যাংকে তার মোট জমা ও সঞ্চয়ী আমানত ছিল ৯১ হাজার ৯৮ টাকা।

/এপিএইচ/আপ-এনএস/