রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর কী হবে 

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় প্রধান দুই আসামি সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার পর এখন প্রশ্ন উঠেছে, পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কী এবং কবে এই রায় কার্যকর হতে পারে?  

আইন অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর হওয়ার আগে তা অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হবে। বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথিপত্র প্রস্তুত করে হাইকোর্টে পাঠানোর পর সেখানে শুনানি হবে। হাইকোর্ট রায়টি পর্যালোচনা করে অনুমোদন, পরিবর্তন বা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।  

মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে যাবে। যদি দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল না করেন এবং হাইকোর্ট রায় অনুমোদন দেন, তাহলে শাস্তি কার্যকর করা হবে। আর যদি তারা আপিল করেন, তাহলে আপিল শুনানির পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।”  

তিনি আরও বলেন, “আপিল না হলে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। তবে মামলার কাগজপত্র হাইকোর্টে পাঠানো এবং অনুমোদন পেতে যে সময় লাগবে, সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আপিল করলে প্রক্রিয়াটি আরও দীর্ঘ হতে পারে।”  

আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর মাত্র ৫ দিনের মধ্যেই গতকাল রবিবার সকালে আদালত আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অভিযুক্ত সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।  

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়।