রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাকরি দেওয়া, ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি কেনাবেচা এবং কুরবানির গরু কেনার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের মূলহোতা ও বিটিএল গ্রুপের সিইও মির্জা আবুল বাশারকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান থানা-পুলিশ।
টানা ১৮ ঘণ্টার অভিযানপর পর শনিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক দেড়টায় গুলশান-১ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গুলশান থানা সূত্রে জানা গেছে, গাড়ি কেন-বেচার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৩ ডিসেম্বর আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি প্রতারণা মামলা করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালালেও আবুল বাশার বারবার স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে বেড়াতো।
পরে গুলশান থানা-পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, আসামি গুলশান-১ এলাকার একটি বাড়িতে অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে গত রাতে সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু করে গুলশান থানা-পুলিশ। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার চেষ্টা শেষে শনিবার দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গুলশান থানা সূত্রে আরও জানা গেছে, আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতারণার জাল বিছিয়ে আসছিল। চাকরির প্রলোভন, আসামি মুক্ত করার আশ্বাস, ভুয়া ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি ও পশুর হাটে প্রতারণাসহ বহু মাত্রিক প্রতারণা করে আসছিল। পুলিশের রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে জানা গেছে, এর আগে প্রায় ১০-১১ মাস আগে গুলশান থানা-পুলিশের একটি অভিযানে আবুল বাশারের হেফাজত থেকে দুটি চোরাই ও প্রতারণামূলক গাড়ি উদ্ধার করা হয়; যা নিয়ে পরে ভাটারা থানায় মামলা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
আবুল বাশারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।