ছয় বছরের শিশু ধর্ষণ-হত্যা: নিরাপত্তা প্রহরীর তিন দিনের রিমান্ড 

ঢাকার পশ্চিম রামপুরায় ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় নিরাপত্তা প্রহরী রাসেল মৃধাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।  

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (২০ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান রিমান্ডের আদেশ দেন। 

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মারুফ রেজা রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।  

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯ টার দিকে  পশ্চিম রামপুরার নিখোঁজ হয় তাহেতি আক্তার তাসনিম ওরফে তাহেতি আক্তার তাসলিন নিখোঁজ হয়। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বাসার পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে লিফটের নির্মানাধীন ফাঁকা জায়গা থেকে পানির মধ্যে উপুর অবস্থায় তাসনিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  

এই ঘটনায় শিশুর বাবা লিটন পরের দিন হাতিরঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। 

এদিকে রাসেলকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ৫ মার্চ তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে তাসনিমকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়।  

গত ১৩ জুন রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনাল টিমের এসআই জাহাঙ্গীর আলম। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন সোমবার।  

এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। রাসেলের পক্ষে তার আইনজীবী জহির হোসেন রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। পরে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।  

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, পাশের বাসার জিহাদের সঙ্গে খেলতে যাচ্ছে বলে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হয় তাসনিম। শিশুটি ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজি করে তার মা। পরে মাইকিংও করা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসার পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে লিফটের নির্মানাধীন ফাঁকা জায়গা থেকে পানির মধ্যে উপুর অবস্থায় তাসনিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকার উত্তেজিত লোকজন রাসেল মৃধাকে আটক করে।  

রাত ৯টা থেকে রাত সাড়ে ১১টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা তাসনিমকে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখে বলে অভিযোগ করেন লিটন।