রাজধানীর ডেমরা ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, দুটি ম্যাগাজিন ও ১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ডেমরা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ডেমরার বড়ভাঙ্গা এলাকার তাপস (৩৮) এবং পূর্ব বক্সনগর এলাকার বাসিন্দা, ডেমরা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মাসুদ রানা (৩৫)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ডেমরা থানার একটি মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাপসের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। সোমবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাতে ডেমরার সুলতানা কামাল সেতুর ঢাল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাপসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার বরাবো শরীফ মেলামাইলন-সংলগ্ন এলাকায় জনৈক জলিলের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মামলার তদন্তে পাওয়া আরেক আসামি মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জলিলের বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে কাঠের পাটাতনের ওপর থেকে একটি পুরোনো একনলা শর্টগান ও আট রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এরপর তাপস ও মাসুদ রানার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রূপগঞ্জের বরাবো এলাকায় তাপসের ভাড়া বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে থাকার কক্ষের সানসেটের ওপর থেকে দুটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।’
এর আগে গত ২৮ আগস্ট ভোরে ডেমরার সারুলিয়া এলাকায় ডেমরা থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. সেলিমের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, চারটি মোটরসাইকেলে করে আটজন ব্যক্তি ওই বাড়ির সামনে গিয়ে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি জানালার কাচ ভেঙে যায়।
ওই ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে দুটি পিস্তলের গুলির খোসা ও একটি শটগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছিল। ঘটনার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।