সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, তার ছেলে ইশরার ওসমান এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির (এনআইবি) সাবেক মহাপরিচালক মো. সলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, বিধিবহির্ভূত নিয়োগ ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে গঠিত টিম পুনর্গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের উপপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলামকে নতুন করে অনুসন্ধান দলের দলনেতা করা হয়েছে। আগের দলের অন্য দুই সদস্যকে বহাল রাখা হয়েছে। তারা হলেন— সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল হায়াত এবং উপসহকারী পরিচালক আফিয়া খাতুন।
দুদকের উপ-পরিচালক রেজাউল করিমের সই করা চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগ অনুসন্ধানে আগে গঠিত টিমের দলনেতা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক। তিনি পিআরএলে যাওয়ায় দলের অন্য সদস্যদের বহাল রেখে তার পরিবর্তে উপপরিচালক রাশেদুল ইসলামকে দলনেতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
দুদকের তথ অনুযায়ী, ইয়াফেস ওসমানের বিরুদ্ধে মন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তার ছেলে ইশরার ওসমানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদারি কাজ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
একই অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে এনআইবির মহাপরিচালক পদে মো. সলিমুল্লাহকে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ। এছাড়া এনআইবির দুই কর্মকর্তাকে চুক্তিতে থাকাকালীন দুটি বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া, নিয়োগ-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে দুদক।
পুনর্গঠিত অনুসন্ধান দলকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ করে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।