পড়াশোনায় অমনোযোগী ও মোবাইলে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি ছিল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর। এ কারণে তাকে শাসন করেন বাবা-মা। এতে অভিমান করে বাসা ছেড়ে পালিয়ে যান ওই ছাত্রী। পরে আশ্রয় নেন বান্ধবীর বাসায়।
এ ঘটনায় ছাত্রীর পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এরপর তদন্ত করে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
ওই ছাত্রী কুড়িল জোয়ার সাহারা জসীমউদ্দীন ইনস্টিটিউটে পড়ে। সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার কুড়িল চৌরাস্তা এলাকার বাসা থেকে সে বের হয়ে যায় বলে পরিবার জানিয়েছে। পরে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভাটারা থানায় একটি জিডি করে পরিবার।
ওই ছাত্রীর পরিবার বলছে, নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন আগে লেখাপড়া নিয়ে তাকে বকাঝকা করা হয়েছিল। সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরের দিন ভাটারা থানায় জিডি করা হয়।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বিষয়টি জানার পর তদন্ত করে ওই ছাত্রীকে তার বান্ধবীর বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বকাঝকা করায় পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে বাসা থেকে পালিয়ে বান্ধবীর বাসায় আশ্রয় নিয়েছিল ওই শিক্ষার্থী।