চিত্রনায়িকা শিমু হত্যা: নির্দোষ দাবি করলেন স্বামীসহ দু’জন

চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তার আসামি স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও তার সহযোগী এস এম ফরহাদ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন। আত্মপক্ষ শুনানি শেষে আসামিদের সাফাই সাক্ষ্যের জন্য আগামী ১৯ নভেম্বর দিন রাখার তথ্য দিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম।

এ দিন আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানির দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা দুই আসামি নোবেল ও ফরহাদকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনান। এরপর আসামিদের কাছে জানতে চান তারা দোষী না নির্দোষ। তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। সাফাই সাক্ষ্য দেবেন কি না বিচারক জানতে চাইলে জানান, তারা সাফাই সাক্ষ্য দেবেন। এরপর ১৯ নভেম্বর সাফাই সাক্ষ্যের দিন ধার্য করা হয়।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। আদালত ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়ভাবে সংবাদ পেয়ে কলাতিয়া ফাঁড়ির পুলিশ এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর ব্রিজ থেকে ৩০০ গজ উত্তর পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন ঝোপের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাতনামা ৩২ বছর বয়সী এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেন। মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। পোস্টমর্টেমের জন্য মৃতদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে মৃতদেহের নাম পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তদন্তকালে জানা যায়, মৃতদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর। দাম্পত্য কলহের জেরে ১৬ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭-৮টার মধ্যে যেকোনও সময় খুন হন শিমু।

শিমুকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২৯ অগাস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।