দ্য ব্রুনাই টাইমস

যৌথ টহলে সম্মত ইন্দোনেশিয়া ও প্রতিবেশী দেশগুলো

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে সম্প্রতি বেড়েছে মৌলবাদী তৎপরতা। দেশগুলোর পানিসীমায় একের পর অপহরণের ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে তারা। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেদের পানিসীমায় যৌথ টহলে সম্মত হয়েছে ইন্দোনেশিয়া ও তার প্রতিবেশী দেশগুলো। বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ায় এক বৈঠক শেষে দেশগুলো এ সংক্রান্ত ঐকমত্যে পৌঁছায়। এ বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার প্রধান শিরোনাম করেছে ব্রুনাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ব্রুনাই টাইমস।

যৌথ টহলে সম্মত হওয়া দেশগুলো হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইন। সপ্তাহখানেক আগে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার পানিসীমায় আবু সায়াফ জঙ্গিদের হাতে এক কানাডীয় বন্দীর শিরশ্ছেদের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পরই এ সিদ্ধান্ত নেয় এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই তিন দেশ।

১৯৯০-এর গোড়ার দিক থেকেই বিদেশিদের অপহরণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে আবু সায়াফ।

TBT

যৌথ টহল নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সামরিক কমান্ডারদের বৈঠক শেষে এ বিষয়ে কথা বলেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেটনো মারচুডি। তিনি বলেন, সামুদ্রিক এলাকা নিয়ে আমাদের উদ্বেগ হ্রাসে সমন্বিত টহলের ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে এ অঞ্চলে মৌলবাদী তৎপরতা তথা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করার ঘোষণা দেয় ব্রুনাইয়ের রাজকীয় সশস্ত্র বাহিনী। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন রয়েল ব্রুনাই আর্মড ফোর্সেস (আরবিএএফ)-এর কমান্ডার মেজর জেনারেল দাতো পাদুকা সেরি মোহাম্মদ তাওয়িহ আবদুল্লাহ। তিনি তার নিজ বাহিনীর সদস্যদের এ অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিদের্শ দেন।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবিরোধী একটি বহুজাতিক মহড়ায় বক্তব্য দানকালে মোহাম্মদ তাওয়িহ আবদুল্লাহ বলেন, সন্ত্রাসবাদ এমন একটা হুমকি যেটাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। সামুদ্রিক রুটগুলোতে মৌলবাদীদের প্রভাব বেড়েছে। তারা নৌ রুট ব্যবহার করে আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ দলগুলোর ব্যাপক সহযোগিতার মাধ্যমে সবার জন্য নিরাপদ নৌ রুট নিশ্চিত করা সম্ভব। সূত্র: দ্য ব্রুনাই টাইমস।

/এমপি/