দলের মনোনয়ন লড়াইয়ে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছেন ট্রাম্প। এ অর্থ তিনি নিজে ব্যয় করেছেন, রিপাবলিকান পার্টির কোনও সহযোগিতা নেননি। কিন্তু প্রার্থীতা নিশ্চিত হওয়ার পর ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার জন্য তার প্রয়োজন প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেটরা তহবিল সংগ্রহে অনেক এগিয়ে আছে।
আরও পড়ুন: ইতিবাচক মন্তব্য করেও সাদিক খানের তোপের মুখে ট্রাম্প
এ পরিস্থিতি বিভিন্ন সময় রিপাবলিকান পার্টি নিয়ে সমালোচনা করলেও শেষ পর্যন্ত নিজের অবস্থান পাল্টে পার্টির দ্বারস্থ হলেন ট্রাম্প। সম্প্রতি ট্রাম্পের নির্বাচনি ম্যানেজারদের সঙ্গে পার্টির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একটি বৈঠক হয়েছে। এতে পার্টির পক্ষ থেকে যৌথভাবে তহবিল সংগ্রহের জন্য ট্রাম্পকে চুক্তিতে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে নভেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের কথা থাকায় মাত্র ৬ মাসে এত বড় অংকের তহবিল সংগ্রহ করা কঠিন হবে বলে মনে করেন অনেকেই। তাছাড়া ট্রাম্প রিপাবলিকান প্রার্থী হওয়ায় দলটির অনেক পৃষ্ঠপোষক অর্থ দিতেও রাজি নন। গুরুত্বপূর্ণ অনেক দাতা এখনও সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্পের ব্যাপারে। এটা নিশ্চিত যে, বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ দাতা ট্রাম্পকে অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে দিয়েছেন ইতোমধ্যে। তাছাড়া ট্রাম্পের মনোনয়নে দলেও এক ধরনের ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে।
/এএ/